ধর্মীয় অনুভূতি ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান: সৌদি আরব ও ইরাকের পতাকার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত ফিফার




 ধর্মীয় অনুভূতি ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান: সৌদি আরব ও ইরাকের পতাকার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত ফিফার

আন্তর্জাতিক ফুটবলে ধর্মীয় অনুভূতি ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে প্রচলিত নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে সৌদি আরব ও ইরাকের জাতীয় পতাকা মাটিতে স্পর্শ করতে দেয়নি সংস্থাটি।

সাধারণত বিশ্বকাপের ম্যাচ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জাতীয় পতাকা মাঠে নামিয়ে প্রদর্শন করা হয়। তবে সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় ইসলামের পবিত্র কালিমা এবং ইরাকের পতাকায় ‘আল্লাহু আকবার’ লেখা থাকায় এ দুই দেশের পতাকার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত ওজনের কারণে মাঠের ক্ষতির আশঙ্কা দেখিয়ে অনুরোধটি গ্রহণ করা হয়নি বলে জানা যায়। তবে ম্যাচ-পূর্ব আনুষ্ঠানিকতায় দেখা যায়, ইরাকের জাতীয় পতাকাও মাটিতে না রেখে উঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

ফিফা মনে করে, কেবল একটি দলের পতাকা আলাদাভাবে প্রদর্শন করলে অন্য দলের প্রতি অসম্মান দেখানোর অভিযোগ উঠতে পারে। সেই বিবেচনায় সংস্থাটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ইরাকের পতাকার পাশাপাশি প্রতিপক্ষ নরওয়ের জাতীয় পতাকাও সমান উচ্চতায় প্রদর্শন করা হয়।

এর ফলে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সৌহার্দ্যের একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপস্থিত দর্শক ও সংশ্লিষ্ট মহলে ফিফার এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব ও ইরাকের জাতীয় পতাকায় ধর্মীয় বাণী বা লিপি সংযুক্ত রয়েছে। এ কারণে পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিশেষ সংবেদনশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে।

নবীনতর পূর্বতন