ছবি: সংগৃহীত
এই ঘটনাটি ঘটে যায় কক্সবাজারে একজন বাইকারের সাথে৷ দেখা যাচ্ছে ১মে একজন ট্রাফিক কর্মকর্তা পিছন থেকে দৌড়ে এসে যে ভাবে বাইকটা বন্ধ করে তাতে হয়তোবা বড় কোন দূর্ঘটনাও ঘটতে পারতো।
১মত এইটা বাইক বা কোন যানবাহনকে সিগ্নাল দেওয়ার নিয়ম না৷ এরপর কাহীনিতে যুক্তহন একজন সার্জন্ট তিনি R15 বাইক দেখে শুরু করেন আর এক নাটক। এই বাইকে নাকি এজোস্ট লাগানো। যেখানে দেখা যাচ্ছে বাইকের স্টক এজোস্ট ওইটা। এরপর উনি অন্যান্য ব্র্যান্ডের বাইকের সাথে এর সাউন্ড মিলানোর চেষ্টা করে। যা কখনোই মিলবে না R15 একটি স্পোর্টস বাইক। বাইক সম্পর্কে যাদের ন্যূনতম ধারনা আছে তারা বলতে পারবে।
তিনি কোনভাবেই মানতে চায় না। এরপর বাইকের ভাই যখন দাবি করে আপনি অন্য ১ টা R15 এর সাথে তুলনা করেন বুঝে যাবের। ঠিক ওই সময় আর 2 টা R15 আসে যা দেখে মনে হচ্ছিলো ওনারা ১ সাথেই কক্সবাজারে ঘুরতে আসছে। এখন ওই সার্জন্টা ভাই দাবিকরছে ওনাদের সব বাইকে এজোস্ট লাগালো। যা দেখেই বুঝা যাচ্ছে এগুলো বাইকের স্টক সাইলেন্সার। তখন বাইকার ভাই দাবিকরে ভাই আমাদের সবগুলতেই এজোস্ট লাগানো? তখন সারজেন্ট মহাসয় এর উত্তর হলো আপনারা সবাই ১ সাথে আসছেন আপনাদের সবগুলোতে লাগানো। কি আজব। কথায় আছে জোর যার মোল্লাক তার অনি সারজেন্ট ওনি যা বলবেন তাই৷ এখন এদের সাথেতো বেশি কিছু করা যায় না৷
এখন আসি আসল কথায় আমার কথা যারা একজোস্টা লাগায় তাদের অবশ্যই ধরবে যাহেতু এটি আইনে নাই। কিন্তু যারা বাইক আটক করবে তল্লাশি করবে তারা যদি স্টক আর আফটার মার্কেট না চিনে নিজের ইচ্ছা মত মনগড়া কথা বলে তাহলে কিভাবে হবে।
যারা রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করে তাদের অবশ্যই বাইক গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন সম্পর্কে জানা লাগবে এটা তাদের ট্রেনিং-এর অংশ হতে হবে। তা না হলে জনগনকে এইভাবেই হয়রানি করতে থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার দৃষ্টিআকর্ষণ করছি।
বার্তা প্রেরক: সিয়াম সওদাগর
অনলাইন ক্রিয়েটর
