বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে তারেক রহমান: দক্ষ মানবসম্পদ গড়াই সরকারের অগ্রাধিকার

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে তারেক রহমান: দক্ষ মানবসম্পদ গড়াই সরকারের অগ্রাধিকার


বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখিত জনাব তারেক রহমান বলেছেন, দেশের যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাহিদাভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম নীতিগত অগ্রাধিকার। উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভর, বৈষম্যহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই সরকারের অঙ্গীকার। জাতিসংঘের আহ্বানে ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসা ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ বাংলাদেশেও জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)-এর উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে।

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী রূপ দিচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বহুমাত্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দেশের যুবসমাজ। তাদের দক্ষতা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও পেশাগত যোগ্যতা বিকশিত করা গেলে শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন ও উদীয়মান প্রযুক্তির বিকাশ কর্মক্ষেত্রে যেমন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে, তেমনি নতুন সম্ভাবনারও দ্বার উন্মোচন করছে। এই বাস্তবতায় সরকার দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, শিল্পমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে কাজ করছে।

বাণীতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষতার মানোন্নয়ন, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন, জাতীয় দক্ষতা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিশ্ব দক্ষতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।

শেষে তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনঃদক্ষায়ন (Reskilling) ও দক্ষতার নবায়ন (Upskilling)-এর সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের যাত্রা আরও বেগবান হবে।


নবীনতর পূর্বতন

Ad 1

https://www.effectivecpmnetwork.com/x6hpi8a1b?key=e1762233781b49055b71d6357d22b814